ভূমি ও কুসুম : দ্রোহে প্রজ্জ্বলিত জীবন :: পাপড়ি রহমান



তোর মাইয়া হবে রে মনজিলা।

মেয়ে!

হ্যাঁ-রে, মাইয়া ছাওয়াল, ঠিক তোর মতো কালা কুচকুচা। (‘ভূমি ও কুসুম’, পৃ. ৭)

এরকম তীর্যক অথচ আধুনিক বাক্য দিয়ে শুরু হওয়া উপন্যাসের প্রবেশ করতে করতে বিস্মৃত হতে হয় এই পৃথিবীতে একদিন তুমুল তমসা ছিল। আইয়ামে জাহেলিয়াত ছিল। আইয়ামে জাহেলিয়াতে কন্যা সন্তান জন্মালে তাকে জীবন্ত গোর দেওয়া হতো। কন্যা সন্তানদের নির্বিচারে ক্রীতদাসরূপে বিক্রি করে দেওয়া হতো। কন্যা সন্তান ছিল যেন সমস্ত পাপাচারের আধার :

ইহলোকে স্ত্রী লোকের থেকে পাপশীল পদার্থ আর কিছু নেই, প্রজ্জ্বলিত অগ্নি, ময়দানবের মায়া, ক্ষুরধার, বিষ, সর্প ও মৃত্যু এর সগুলোর সাথে তাদের তুলনা করা যায়। (মহাভারত, অনুশাসনপর্ব)

পাপড়ি রহমান

আজ, এই একবিংশ শতকে লেখা সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘ভূমি ও কুসুম’ ছিটমহল দহগ্রামের বাশিন্দাদের জীবন-চলচ্চিত্র দেখে আমরা একেবারে বিস্মৃত হই, অতীতের অন্ধকার যুগকে বেমালুম ভুলে যাই। যদিও এ উপন্যাসের পাত্র-পাত্রীদের ‘পান্তাভাত আর লংকার জীবন।’ প্রতিনিয়ত দুঃখ, দারিদ্র্য, হাহাকার, দুর্দশা, নিরাশ্রয়, বঞ্চনা, আশা-নিরাশা, মৃত্যু আর বিদ্রোহ যাদের চালচিত্র!

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের চিরতরুণ লেখনীতে আমরা সদ্য যে জীবনচর্যা প্রত্যক্ষ করি তাতে মূক-বধির হয়ে থাকা ছাড়া কোনো গত্যন্তর থাকে না। কাল থেকে মহাকাল। মহাকাল থেকে নিয়ত সঞ্চরণশীল এক জীবন পরিভ্রমণের পর লেখক এমন এক অমোঘ সত্যের সামনে আমাদের দাঁড় করিয়ে দেন যে, আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ি! অপার এক বিস্ময়ে অবলোকন করি নিপুণ শৈলীর সেই বিনির্মাণ।

তুই একটা বাঁজা মেয়েমানুষ। তোর আবার সন্তান কী-রে? খবরদার, আমার নাম উচ্চারণ করিস, তবে এই বন্দুকের বাঁট দিয়ে মেরে বিলের জলে লাশ ভাসিয়ে দেবো, মনে রাখিস। বেশ্যা মাগির আমাকে বাবা বানানোর সখ হয়েছে। সখ পুরিয়ে দেবো। এই দেখেছিস বন্দুক? দরকারে যেমন পাশে ফেলে রাখতে পারি, দরকারে তেমন আবার তাক কত্তে পারি, বুঝেছিস?

মনজিলা উত্তর না দিয়ে কথা শোনে। অরবিন্দ থামলে ওর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে নাক কামড়ে ক্ষত-বিক্ষত করে দেয়। থুতু ছিটিয়ে বলে, বউকে গিয়ে বলিস, বাজারের একটা মাগি আমার নাক কামড়ে ছিঁড়ে দিয়েছে। পারবি? সাহস আছে? (পৃ. ১৫-১৬)

বাঁজা মেয়েমানুষের গর্ভ হওয়া দিয়ে শুরু হয় ভূমিতে কুসুম ফোটানোর ইতিহাস। এ কুসুম ফোটানো অবশ্য সহজ কিছু নয়। শক্ত, রুগ্ন, খরখরে, জল-পলিহীন ভূমিতে কুসুম ফোটানোর জন্য যে তীব্র যুদ্ধ – তাই হয়ে ওঠে এ উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য।

দহগ্রামের নিরক্ষর মানুষ – যারা বিজলী বাতি চোখে দেখে না, বিলাস-ব্যসন যাদের জন্য দুরাশা, গায়ে খেটে যারা ভাত যোগাড় করে, যাদের নিত্য আকালের ফুটা ভরা সহজ নয়। কিন্তু তবুও তারা স্বপ্ন দেখে। বেঁচে থাকে। কখনো পোকার মতো, কখনো মানুষের মতো। ফলে এই ছিটমহল, এই দহগ্রাম – যার বেশিরভাগ মানুষ নিরক্ষর হলেও জানে :

মানুষ আসলে কখনো কখনো পোকাই হয়। খারাপ পোকা। যেটাকে নরকের কীট বলা হয়। মানুষ নিজেও জানে না যে কীভাবে পোকা হয়। ওই পোকার নামই মানুষ। পোকাদের কি পোকারা মানুষ বলে গালি দেয়? (পৃ. ৩৭)।

পোকা আর মানুষ। মানুষ আর পোকা। এ এক আশ্চর্য গোলকধাধাঁ। কখনো এ উপন্যাসে মানুষেরা পোকা হয়, কখনো পোকারা মানুষ। মানুষ-পোকা, পোকা-মানুষ দ্বন্দ্ব যা-ই থাকনা কেন, অধিকার আদায়ের বেলায় এরা বলিষ্ঠ কণ্ঠ। প্রতিবাদে সোচ্চার। হেরে যেতে চায় না এরা। হেরে যাওয়া এদের ধর্ম নয়।

এই পোকামানুষ আর মানুষপোকার যাপিত জীবনে গোলাম আলি নামক ভবঘুরে দার্শনিক হয়ে ওঠে ভাগ্য নিয়ন্তা। দহগ্রাম নামক ঈষৎ উড্ডয়নশীল ঘুড়িটির নাটাইয়ের সুতা থাকে তার নিয়ন্ত্রণে। ফলে দেখা যায় জন্ম-মৃত্যু, দহন-বঞ্চনা, আশা-আকাক্সক্ষা এমনকি জীবন-নিয়ন্ত্রক উপকাহিনী। ছোট-বড় অজস্র চরিত্র!

‘ভূমি ও কুসুমে’র সেলিনা হোসেনকে দক্ষ কোনো তাঁতশিল্পীর সঙ্গে তুলনা করা যায়, যিনি পারি ও নাটা করা সুতাতে বুনে চলেছেন অভূতপূর্ব এক শিল্প! এই বিস্মৃত শিল্পে আটকা পড়ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, নারীর অধিকার, ধর্ম, রাষ্ট্র, বিবেক, দ্বেষ, হিংসা, অসূয়াসহ স্নেহ-ভালোবাসায় মানবধর্মের যাবতীয় বিষয়। দক্ষ কারিগর সেলিনা হোসেন অকুতোভয় উচ্চারণে এই সমাজ, সভ্যতা, সাহিত্য তথা সমস্ত পৃথিবীকে জানিয়ে দেন – মানবজন্মটাই এক মহার্ঘ্য শিল্প! মানবজন্মই প্রধান। জন্মের প্রক্রিয়া নয়।

“সাকী দূরের পাখি, গাছ-গাছালি। শেয়াল-বেজি – আমি বলে দিলাম মানুষের জন্ম নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠবে না। যে জন্মের দায় মানব সন্তানের নেই তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠানো মানুষের উচিত না। যারা প্রশ্ন উঠাবে তারা বেঈমান।” (পৃ. ১৩৯)।

মানব সন্তানের দায় মোচন করেই তিনি ক্ষান্ত হননি। পিতৃতন্ত্রের মর্মমূলেও প্রচণ্ড কুঠারাঘাত করেছেন, আর তা যৌক্তিকও বটে :

বাপ না থাকলে পরিচয় থাকবে না। মায়ের পরিচয়ই সত্য হবে। আর বড় হলে তার নিজের পরিচয়ই তার পরিচয়। আমাদের মনজিলার মেয়ের কি আর কোনো পরিচয়ের দরকার আছে? বলেন দরকার আছে? (পৃ. ১৩৯)

‘ভূমি ও কুসুম’ ভূমির ইতিহাস। ভূমির ক্ষরণ, দহন, অভিমান, দ্রোহ, বিদ্রোহ আর ক্রন্দনের ইতিহাস। একই সঙ্গে ‘ভূমি ও কুসুম’ কুসুমের ইতিহাস। কুসুমের ক্ষরণ, দহন, অভিমান, দ্রোহ, বিদ্রোহ, ক্রন্দন, প্রস্ফুটন আর অপ্রস্ফুটনের ইতিহাস।

‘ভূমি ও কুসুম’ অনিশ্চিত এক জীবনের ইতিহাস। যে জীবনে প্রেম, ভালোবাসা, বিয়ে, যৌনতা অনিশ্চিত। কিন্তু অনিবার্য পতন আর মৃত্যু নিশ্চিত! এই অনিবার্য পতন আর নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও উচিয়ে ধরে রাখা নিজের পতাকা। নিজের স্বার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্রের ঘোষণা!

সেলিনা হোসেনের এই উপন্যাস বহুমুখিনতার উপন্যাস। একমুখিনতা বলে এখানে কিছু নেই। যদিও ছিটের বাশিন্দা হওয়ার কারণে তারা মূল ভূখ- থেকে বিছিন্ন। তারা অন্য রাষ্ট্রের দ্বারা পরিবেষ্টিত। এক কঠিন শৃঙ্খলে বন্দি এই ছিটের জনগণ। কারণ কেননা তার নিজের রাষ্ট্রে যেতে হলে তাকে অন্য রাষ্ট্রের সীমানা পার হতে হয়। কিন্তু সীমানা পার হওয়ার জন্য যে অনুমতি দরকার তা তাদের সহজে মেলে না। ফলে নিজ রাষ্ট্রের সুযোগ-সুবিধা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়াই এদের নিয়তি।

এই ছিটমহলের জনগণের জীবন রাষ্ট্র, সীমান্ত, সীমান্তরক্ষীরাই নিয়ন্ত্রণ করে। নানা চড়াই-উৎরাইয়ের মাঝে জীবন বদল হয়। রাষ্ট্র বদল হয়। ভারত থেকে পাকিস্তান। পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ। ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ। কিন্তু এই ছিটের বাশিন্দাদের ভাগ্যে রদবদল হয় না। ভাগ্য বদলের কোনো সম্ভাবনাও উঁকি দেয় না। ছিটের ভূখেণ্ডে স্বাধীনতা নেই। এখানকার বন্দি বাশিন্দারা স্বাধীনতার স্বাদ কোনোদিনই পায় না।

এই পরাধীন জীবনে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার জন্য ক্রমাগত লড়াই চলতে থাকে। এই যুদ্ধের সঙ্গে সত্যিকার যুদ্ধও যুক্ত হয়। মহাতাণ্ডব শুরু হয় চারপাশে। পুড়ে যায় গৃহ-ধান-পাট-শস্য। পুড়ে যায় আশা-স্বপ্ন, আর এসবের সঙ্গে অগণন মানুষ।

এই পুড়ে যাওয়া, জীবন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার অন্তরালে ঘটে বদল। জীবনের বাঁকবদল। পুরানো মানুষের সঙ্গে নবজাতক পুড়ে যায়। বাচালের সঙ্গে বোবা-কালা পুড়ে যায়। অপ্রেমিক-প্রেমিক জুটি পুড়ে যায়। পুড়ে যায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, তরুণ-তরুণী, ধনী-দরিদ্র। ভয়াবহ আগুনের তাপে জ্বলে-পুড়ে যায় সব। খাক হয়ে যায়। দহগ্রাম হয়ে ওঠে ধু-ধু শ্মশান। হাড়-মাংস-চামড়া পুড়ে যাওয়া ছাই-কয়লার মাঝে অঙ্কুরিত হয় নতুন জীবন – নতুন জীবনের আবাহন।

একসময় ছিটের ভূমিতে ঘাস গজায়। সবুজ ঘাসের মাথায় সাদা কুসুম ফোটে। যতগুলো ঘর পুড়েছিল তার সবগুলো ওঠানো হয়। পুড়ে যাওয়া মানুষেরা সুস্থ হয়। ক্ষেতে ধান পাকে। কাটার সময় হয়। পাকা ধানের আঁটিতে উঠোন ভরে থাকে। ধান মাড়াই, ধান সেদ্ধ চলে। তারপর ঢেঁকিতে ধান ভানা শুরু হয়। ছাই- পোড়া কাঠ, কয়লার ভেতরে থেকে জীবনযাত্রাকে বেরিয়ে আসতে দেখে বিস্মিত হতে হয়। (পৃ. ৩৫২)

নতুন জীবনের উন্মেষ হলেও ছিটের মানুষদের ভাগ্যবদল হয় না, যেন অনাদিকাল ধরে জলবন্দি মানবগোষ্ঠী। জলে নামা মাত্রই হাঙর-কুমির আর সর্পের খাদ্যতে পরিণত হবে তারা। তারপর নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। এই আক্রমণকারীরা সীমান্তরক্ষী, যাদের উদ্যত রাইফেল তাক করা আছে। রক্তলোভী উন্মাদ হায়েনার দল। এসবের মাঝেও নলাঘোঙা পাখি ডেকে ওঠে! নলঘোঙা পাখিকে উড়তে দেখা যায় আর স্বাধীন বাংলাদেশের খবর পৌঁছে যায় ছিটমহলে।

করিম আজমলের রক্তমাখা জামাকাপড়ের পুঁটুলিটা যত্ন করে সাধুর মাথায় দেয়। সাধু পুটুলিটা দু-হাত দিয়ে ধরে হাঁটতে থাকে। দু’জনে তিনবিঘা সীমান্ত পেরিয়ে ছিটে ঢোকে। মানুষ ছুটে আসছে। সাধু চেঁচিয়ে বলে, বাবা কত্ত মানুষ! আপনাকে দেখতে আসছে।

ওরা তোকেও দেখবে সাধু।

কেন, আমাকে দেখবে কেন?

কারণ তুই শহীদের রক্তমাখা কাপড় তুলে নিয়েছিস। এখন তুই আমার মুক্তিযোদ্ধা সাধু। (পৃ. ৩৮৬)

যুদ্ধই-বা কতোটা কী করতে পারে? এক মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে কতোটা বদল সম্ভব? যুদ্ধ তো প্রথম শুরু করেছিল মনজিলা। এখনো সে যুদ্ধরত। যুদ্ধ শুরু করেছিল গোলাম আলি, নমিতা, নেতাই, সুরেন, মালতি, কমলাসহ আরও কত অজস্র মানুষ। যুদ্ধ করেও যদি কিছু না বদলায়, তাহলে কিভাবে বদল হবে এই সমাজ-সভ্যতার?

চুপ করে থাকে মুক্তিযোদ্ধা করিম। উত্তর তো ওর জানা নেই। দেশ স্বাধীন হলে ছিট স্বাধীন হবে না কেন? মাথাটা এলোমেলো লাগে করিমের। মনও খারাপ হয়। বাড়িতে গরুর দুধ আছে। বর্ণমালাকে দুধ খাওয়ানোর দরকার ভেবে কাউকে কিছু না বলে বাড়ির দিকে যায়। ও দ্রুত পায়ে হাঁটে। মনে হয় পায়ে গতি না থাকলে ও যুদ্ধে পরাজিত হয়ে যাবে। যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার ঘটনা ওর জীবনে ঘটেনি। যতগুলো অপারেশনে গিয়েছিল, সবগুলোতে জিতেছিল। পরাজিত হয়েছিল শত্রুপক্ষ। আজও ওর হারা চলবে না। যুদ্ধ, যুদ্ধ বলতে বলতে ও পায়ের গতি আরও দ্রুত করে, প্রায় দৌড়ায়। কতক্ষণ এভাবে চলছে, জানে না। শুধু ওর মনে হয় ও একটা যুদ্ধ ক্ষেত্র দিয়ে দৌড়াচ্ছে। কাঁধে রাইফেল। হাতে গ্রেনেড। সামনে শত্রু। হঠাৎ ও দাঁড়িয়ে পড়ে। চারদিকে তাকায়। যুদ্ধ নেই, শত্রুও না। কিন্তু করিমের বুকের ভেতর কেমন করে। দমবদ্ধ হয়ে আসে। কোথাও যুদ্ধ নেই, তবু যুদ্ধ দেখতে পায় (পৃ. ৩৯৩)।

এভাবেই বছর ফুরিয়ে যায়। শীত শেষে আসে বসন্ত। গাছে নতুন কুশি গজায়। সবুজে ভরে যায় চারদিক। ফের পাতারা বাদামি হয়। ঝরে যায়। কিন্তু তিনবিঘা হস্তান্তর হয় না। মানুষ হতাশ হয়ে পড়ে। ওরা শুনতে পায় ভারতের সাংবিধানিক ও আইনগত বিতর্কের কারণে এ সমস্যার সমাধান হতে সময় লাগছে।

এতকিছু বোঝার সাধ্য ছিটমহলের বাশিন্দাদের নেই। কিছু বোঝে না ওরা, কিন্তু এটুকু বোঝে, ওরা আগে যেমন বন্দি ছিল, এখনও তেমনি বন্দি আছে। ওরা স্বাধীন হয়নি। দেশ স্বাধীন হয়েছে। দেশের নাম বদল হয়েছে। পতাকা বদল হয়েছে। কিন্তু ছিট ছিটই আছে। ছিটের কিছুই বদলায়নি। কিছুই বদলায় না। কিন্তু ছিটের মানুষ স্বাধীনতা চায়। স্বাধীন ভূমিতে পারিজাত-কুসুম ফোটাতে চা। দ্রোহে-বিদ্রোহে ভূমি ও কুসুমের ইতিবৃত্ত বদলে দিতে চায়।

No automatic alt text available.


1,400 Comments