যোজন দূরের স্বজনেরা: মানবিকতার রূপচ্ছবি :: পাপড়ি রহমান



যখন কোনো লেখার সঙ্গে পাঠক একাত্মতা বোধ করেন, তখনই সে লেখাটি সার্থক বলে মনে হয় আমার কাছে। অবশ্য সে রকম লেখা সচরাচরই নাগালে আসে, তেমন নয়। সুদীর্ঘকাল ধরে গড়ে তোলা পাঠ্যাভ্যাসের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, তেমন বইপত্রের সন্ধান পেলে ভয়ানক উল্লসিত বোধ করি। এবং উল্লাসের উত্তেজনায় দুই-চারজন বন্ধুবান্ধবের কান ঝালাপালা করে দিয়েও বিব্রত হইনা। আর লেখক যদি আমার পরিচিত হোন তাহলে তো কথাই নেই, ঢোলের সঙ্গে ঢাকের বাদ্যি যুক্ত হয়। ফলে ওই লেখককে সহ্য করতে হয় আমার পাঠের নানাবিধ কীর্তন। প্রতিটা চুম্বক লাইন ধরে ধরে তাঁকে আমি প্রায় বিব্রতই করে ফেলি। আমার সদ্য পাঠ করা বই ‘যোজন দূরের স্বজনেরা’ নিয়ে লেখক আনোয়ার সৈয়দ হককে অম্লান বদনে আমার সেইসব ক্ষ্যাপাটেপনা সহ্য করতে হলো। বইখানা পড়তে পড়তে চার-পাঁচবার তাঁকে আমি ফোন কল করেছি।

আদতে ম্যালা দিন বাদে হাতে পেয়েছিলাম এমন একটা বই, প্রথম রাতেই যে বইয়ের ৬০ পৃষ্ঠা পড়ে ফেলেছি। ফেলেছি নয়, পড়তে বাধ্য হয়েছি।

আনোয়ার সৈয়দ হক ভাল লিখেন। শুধু তাই নয়, তাঁর লেখা তরুণদের সাথে যোগসূত্রও তৈরি করে। আমার ধারণা লেখক আনোয়ারা সৈয়দ হক সচেতনভাবেই এই কাজটি করেন। ফলে তাঁর লেখাপত্রকে জেনারেশন গ্যাপের আওতায় ফেলে সরিয়ে রাখবার উপায় থাকে না।

তা ‘যোজন দূরের স্বজনেরা’ বইটি পড়ে আমার এত উচ্ছ্বাসের কারণ কী?

কারণ নানাবিধ।

যদি ইশকুল ছাত্রের মতো পয়েন্ট দিয়ে ব্যাখ্যা করি তাহলে দাঁড়ায়-

ক. বইটি একটি অতিশয় প্রাঞ্জল ভ্রমণ কাহিনী।

খ. এতে লেখকের মনোজগত প্রায় স্পষ্ট।

গ. লেখকের ব্যক্তিগত জীবনাচারের অনেকটাই উন্সোচিতা।

ঘ. সৈয়দ শামসুল হকের ব্যক্তিত্বের অনেককানিই পাঠক পড়ে ফেলবেন।

ঙ. বাংলাদেশিদের পরবাস জীবনের সুস্পষ্ট ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ চিত্র।

চ. স্বদেশের প্রতি লেখকের প্রেম ও প্রণতি।

ছ. যে কোনো দেশের সাহিত্য ও শিল্পের প্রতি তীব্র অনুরাগ এবং তথ্য ও তত্ত্বের উপস্থাপন।

জ. বিশ্বের তাবৎ নারীর প্রতি সহমর্মিতা।

ঝ. সৈয়দ শামসুল হকের সঙ্গে টক-ঝাল-মিষ্টির মিকচার সম্বলিত দাম্পত্য জীবন।

ঞ. লেখকের একেবারে নিজস্ব জীবন দর্শন।

হয়তো আরো কিছু বিষয় বইটিতে সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। যদি আমার নজর এড়িয়ে গিয়ে থাকে তাহলে লেখক ও পাঠক উভয়ের কাছেই আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

এক্ষণে আমি যদি আমার আবিষ্কৃত দশটি পয়েন্ট ধরে কথা বলতে শুরু করি, তাহলে কালিদাসের বিশ গাড়ি জ্ঞান বহরকেও তা ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে মিতচারি হওয়ার চেষ্টা করা যাক। বইটি নিয়ে আমার এতটা উচ্ছ্বাসের কারণ কিছুটা ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন মনে করছি। আমি নিজেও শতভাগ ভ্রমণপিপাসু। কিন্তু অর্থনৈতিক দূরবস্থার জন্য হয়ে ওঠে নাই। বাঙালীর রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থার কারণেও আমার পিপাসা নিবৃত্ত করা যায় নাই। অর্থাৎ ভ্রমণজল থেকে গিয়েছে আমার নাগালের বাইরে।

পাপড়ি রহমান

আনোয়ারা সৈয়দ হকের এই বইটি আমার তুমুল তৃষ্ণায় সামান্য জলবারির যোগান দিল, এজন্য যে এর উপস্থাপনার নৈপূণ্য। তা এতটাই উৎকৃষ্ট ও অকৃত্রিম যে, লেখকের সঙ্গে সঙ্গে আমিও স্বচক্ষে দেখে বেড়াতে লাগলাম রোম, স্টেজিয়ন টারমিনি গিওভ্যান্নি, ভ্যাটিকান, ভিসুবিয়াস, পম্পেই, ভেনিস, ভাসাইয়ের যাবতীয় কিছু।

তবে অতি আশ্চর্য্যরে বিষয় হলো চমকদার অন্যসংস্কৃতি, অন্যদেশ, অন্যনদী বা সমুদ্র, অন্যের ভাস্কর্য, অন্যশিল্প কিছ্ইু লেখককে নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিস্মৃত করতে পারে নাই।

এখানে আমি ইশকুল ছাত্রের মতো উদ্ধৃতি করার লোভ সামলাতে পাররাম না! যেমন-

‘দেখলাম গাড়িটাকে পার্ক করে রেখে বাবু তার চাদরে ঝুলিয়ে দিয়েছে রঙিন ঠোঙাসুদ্ধ পটেটো চিপস, নানা রকম এবং ধরণের চকোলেট, লম্বা ও গোল টাইপের পাউরুটি এবং রকমারি শুকনো খাবার। ঠিক যেন আমাদের বাড়ির মোড়ের দোকান। তাছাড়া এই চলন্ত দোকানও, আহামরি কিছু না, আমাদের ঢাকার ‘সাজনা রেস্টুরেন্টের’ এরকম গাড়ি আছে।” (পৃষ্ঠা ৪৩)

আমার অগ্রজ এই দুই সাহিত্যিক যেখানেই গেছেন যত দুরেই গেছেনÑ খুঁজে ফিরেছেন দেশের মানুষ। আমার দেশের সাহিত্য-সাহিত্যিক ও শেকড়কে। সে সবের উদ্ধৃতি দিতে শুরু করলে ‘যোজন দূরের স্বজনেরা’ বইটির প্রায় পুরোটাই পুনরায় ছাপার অক্ষরে আকার পাবে। ফলে ওই লোভাতুর কাজটি থেকে বহুকষ্টে আমি নিজেকে নিবৃত্ত রাখলাম।

সৈয়দ শামসুল হক মনের গহীনে শুধু একটি বাসনা গোপন রেখে ইটালি ভ্রমণে গেছেন। তা হলো লেখক শাসুদ্দিন আবুল কালামের কবর দেখা। সেই কবর খুঁজে পেতে দুই লেখক যে পরিমাণ কষ্ট করেছেন তা উপলব্ধি করে আমি বারংবার শিউরে উঠেছি ও শ্রদ্ধাবনত হয়েছি। মানুষের কাছ থেকে আমার যে কতকিছু শেখার এখনো বাকি রয়েছে। কত কিছুই যে!

‘মুদির চেহারার মতো ফুলগুলোর দামও সুন্দর। এত সুন্দর যে দাম শুনলে ঘাম ছুটে যাবে। … সৈয়দ হক আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘দেখো, আমরা অনেক দুর থেকে কালাম ভাইকে দেখতে এসেছি, দাম শুনে কিছুতে পেছাব না, আমি যদি গোলাপও নিতে না পারি তাহলে আমি নেব এই ফুলগুলো।

একথা বলে সৈয়দ হক একগুচ্ছ ধবধবে শাদা ফুল হাতে তুলে নিলেন। ফুলগুলো দেখে আমার চোখ জুড়িয়ে গেল। হ্যাঁ, যদি দিতে হয় তাহলে তার কবরে আমরা এরকম বড় বড় পাপড়ির সাদা কারনেশন ফুল দেব।’ (পৃষ্ঠা ১০০)

কিছুই কি এড়িয়ে যাবার উপায় আছে আনোয়ারা সৈয়দ হকের নজর থেকে? শামসুদ্দিন আবুল কালামের কবরের সন্ধান পাবার পরও তিনি তো বিস্মৃত হলেন না আমাদের সমষ্টিক রূপ! নইলে কি তিনি এমন কথা লিখতে পারতেন?

‘ভাল্লে, আমার নাম ভাল্লে সিনোরা। বললেন ভদ্রলোক। আমি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে মনে মনে বললাম, তুমি সত্যিই ভালো একজন মানুষ, ভাল্লে। এবং আমি নিশ্চিত এই ভাল্লে মানে হচ্ছে বাংলাদেশের ভালো। অর্থাৎ ভালো নইলে আমাদের দেশের কোনো মানুষ ঘুষ ছাড়া এত কষ্ট করে কবর খুঁজে দিত কি?’ (পৃষ্ঠা ১০২)

‘আমি এমন কোনো ভক্ত মুসলমান নই, বরং মুসলমানিত্বের কম্পিটিশনে আমি একেবারে শেষের সারিতে, তবু নিজের মাতৃভূমি থেকে হাজার হাজার দূরে দেশমাতৃকার এরকম একজন সুযোগ্য সন্তানকে একাকী ক্রুশবিদ্ধ হয়ে পড়ে থাকতে দেখে আমার প্রাণের ভেতরে যেন বিলাপ শুরু হয়ে গেল, হায়, হায়, তিনি কেন এরকমভাবে এই নির্জন ভূমিতে এত বছর পড়ে আছেন! এই রোম বা ‘ইতালিতে’ এমন কোনো বাঙালি কি নেই যিনি তাকে এখান থেকে সরিয়ে তাঁর দেশে পাঠিয়ে দেন বা এখানেই কোনো মুসলিম কবরখানায় তাঁকে সমাহিত করেন?

যে পরিবারে আমার জন্ম, যেখানে আমার উৎসের উদ্ভাস, আমি জীবিত অবস্থায় সবার পৃথিবী ছেনে বেড়ালেও কি মৃত্যুর পর আবার সেই উৎস, সেই গোত্র, সেই ধর্ম, সেই মা ও মাতৃভূমির কাছে ফিরে আসি না?’ (পৃষ্ঠা ১০৬)

আনোয়ারা সৈয়দ হক মূলতঃ এই বইটিতে প্রবাসী বাঙালিদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরাতেই মনোযোগি ছিলেন। হতে পারে আমাদের দেশের অন্য বাঙালিরা যেন ওইসব ভুক্তভোগীদের মতো দালালদের খপ্পরে না পড়ে তার জন্যই এক ধরনের সতর্ক সংকেত দিয়ে গেছেন। আমাদের দেশের প্রায় সব অর্ধ, অল্প ও অশিক্ষিতদের ধারণা বিদেশে টাকা বাতাসে ওড়ে। এবং একবার বিদেশে পা রাখতে পারলেই সেই টাকা ধরে ধরে বস্তায় পুরে দেশে পাঠানো যায়।

আদতে তা নয়। কাগজপত্র, কাজ ঠিকঠাক মতো না হলে কি যে ভোগান্তির জীবন-যাপন করতে হয়, তা ভুক্তভোগীমাত্রই জানে।

বাংলাদেশিদের নানাবিধ দুঃখ-দুর্দশা-ভোগান্তি দেখে লেখকের মন আর্দ্র হয়েছে। বইটিতে ঘুরে-ফিরেই লেখকের স্বজল আঁখি পাঠক দেখতে পাবেন।

‘আমি জানি এরা সকলেই দেশ ছেড়ে, নিকট আত্মীয় ছেড়ে, বন্ধুবান্ধব ছেড়ে এই বিদেশে আশায় বুক বেঁধে পড়ে আছে, এরা আমার সহোদর বা সন্তানের মতো। আমরা দু’জনে, আমি আর সৈয়দ হক তাদের জন্য একমুঠো দেশ হাতে করে এখানে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য এসেছিলাম। এখন আমরা আবারো দিয়ে যাচ্ছি আমাদের গন্তব্যপথে। এদের মনের ভেতর দেশত্যাগ করার যন্ত্রণা ও বিরহ আবার প্রজ্জ্বলিত করে দিয়ে; এদের বুকের ভেতরে জমাট বেধে থাকা হু হু কান্নাকে উসকে দিয়ে।’ (পৃষ্ঠা ১৭৪)

লেখকের এই উপলব্ধির সঙ্গে তাঁর নিজস্ব জীবন দর্শনের দেখাও আমরা পেয়ে যাই।

‘কিন্তু জীবন মানেই তো ক্রমাগত চলে যাওয়া, সবকিছু ফেলে ধীরে ধীরে চলে চাওয়া; স্নেহের বন্ধন, মায়া, ভালোবাসা, প্রেম, সম্পদ, রাগ, বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা সব, সবকিছু ফেলে চলে যাওয়া, এই-ই হচ্ছে মানুষের জীবন। এরা আমার আপন কেউ নয়, তবুও এই তরুণগুলোর জন্য এক নাড়িছেঁড়া মমতা যেন এখন আমার দুচোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়তে লাগল অশ্রু হয়ে।

আমি সৈয়দ হকের আগে আগে কামরায় গিয়ে ঢুকলাম। তারপর তিনি কিছু টের পাওয়ার আগেই মুছে ফেললাম আমার অশ্রু। আমার যা কিছু দুর্বলতা তা অন্য মানুষের চোখের আড়ালেই থাক।’ (পৃষ্ঠা ১৭৪)

মানবিক সমস্ত কিছুকে উদ্ভাসিত করে দিয়ে আনোয়ারা সৈয়দ হক এক অসামান্য ভ্রমণ গ্রন্থ লিখলেন। যে গ্রন্থের বাক্যের সুরলহরি ভার্সাই পেরিয়ে আমাদের কানে এসেও সুমধুর বেজে গেল। ওই সুরের মূর্ছনা বহু দেশ-জাতি পেরিয়ে আমাদের বুকে ঠাঁই করে নিল। ফলে গ্রন্থটি পড়ে শেষ হয়ে যাওয়ার পর নিঃশব্দে ‘হ্যাটস অফ’ করা ছাড়া আর কিইবা আমাদের করার থাকে?

লেখক আনোয়ারা সৈয়দ হক অক্লান্ত দেখে চলেছেন মের্মাত। যেখানে পাবলো পিকাসো ছুবি আঁকতেন, কবি বোদলেয়ারের সমাধিস্থল। লেখক ঢুকলেন ল্যুভর মিউজিয়ামে। গেলেন বোয়া দ্য বুলোনোতে। যেখানে রাস্তার দুধারে দেহপসারিনীরা নগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন খদ্দেরের আশায়। দেখে বেদনার্ত হয়ে উঠলেন। অতঃপর আমাদের বললেন-

“আমাদের মাথার ওপরে এখন শুক্লপক্ষের চাঁদ। পৃথিবীর চেহারাটা এখন কী নির্মল, কী পবিত্র, দেখলেই পৃথিবীটাকে ভালবাসতে ইচ্ছে করে। কি করে ভালোবাসব? একটু আগে যে দৃশ্য দেখলাম, তাতে করে নিজের ওপরেই যেন ঘৃণা ধরে গেল। এ পৃথিবীর যে কোনো মেয়ের লজ্জা তো আমারই লজ্জা বটে, আমার ভগিনীরই তো লজ্জা বটে।’ (পৃষ্ঠা ১৯১)

লেখক আনোয়ারা সৈয়দ হকের এই বোধ দেখে কি পাঠক সামান্যও চমকে উঠবে না? আমি আমুল চমকে উঠি ও নিজেকে পুনরায় প্রশ্নের সম্মুখীন করে ফেলি ‘তিনি যতোটা সম্মান পাওয়ার যোগ্য আমাদের সাহিত্য কি তাঁকে ততোটা দিয়েছে? দিতে পরেছে?’ আমি জানিনা, আনোয়ারা সৈয়দ হক বইটি লেখার সময়ে কিংবা প্রকাশের পরও এটা টের পেয়েছেন কিনা বইটি যে শুধুমাত্র ভ্রমণ কাহিনী থাকেনি হয়ে উঠেছে মানবিকতার দলিল!

মানুষের প্রতি সম্ভ্রম, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, অনুরাগ, দয়ার মতো মহৎ গুণগুলো ভ্রমণের নিচে চাপা পড়ে যায়নি। বরং কোনো পুস্পিত বৃক্ষের মতো স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠেছে।

লেখক নিজেই বলছেন-

‘অচেনা, অজানা মানুষের সাথে মিশে আমি যেন তাদের নাড়ির স্পন্দন অনুভব করি আমার নাড়িতে। মানুষের সত্তার সাথে মিশে যায় আমার সত্তা।’ (পৃষ্ঠা ১৮৮)

আনোয়ারা সৈয়দ হক নিশ্চয়ই নতুন কোনো জনপদে ফের নতুন ভ্রমণের সন্ধানে যাবেন। আর তাঁর তীক্ষ্ণ দৃষ্টির জালে আমাদের জন্য তুলে আনবেন বহু মূল্যবান অভিজ্ঞতা। আমি এক অতি ক্ষুদ্র-তুচ্ছ পাঠক। তাঁর পাঠকে  সঠিক মুল্যায়ন করার স্পর্ধা কতটুকুই বা আমার আছে? তবে এটুকু বলতে পারি আমি তাঁর ভ্রমণ সঙ্গী হয়ে দেখে এলাম রোম, ভেনিস, ভার্সাই, পম্পেই, ভ্যাটিকান আর বিসুভিয়াস। সৃষ্টি আর ধ্বংস, আনন্দ আর বেদনার নানান লীলা!

অতঃপর আনোয়ারা সৈয়দ হকের আরেকটি নতুন ভ্রমণের অপেক্ষা আমাকে অহর্নিশ কাতর করবে একথা বলাই বাহুল্য!

যোজন দূরের স্বজনেরা

লেখক: আনোয়ারা সৈয়দ হক

কথা প্রকাশ

পৃষ্ঠা সংখ্যা ২২২

প্রকাশকাল ২০১৪, ফেব্রুয়ারি

প্রচ্ছদ: সব্যসাচী হাজরা

মূল্য: ২৬০.০০ টাকা।


2,054 Comments